নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত বছর ৪-৮-২০২৪ মানে ৩৫ শে জুলাই এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাত্র মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরকার ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পযন্ত মাঠে থাকে চালিয়ে যায় আন্দোলন সাথে তার দুটি মেয়ে উওরার মাইলস্টোন স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাএী ও অংশ গ্রহণ করেন। ৪ -৮-২০২৪ তাদের একটাই দাবী খুনি হাসিনার পদত্যাগ। এক দফা এক দাবী খুনি হাসিনার পদত্যাগ। প্রতিদিনের মতো উওরা এলাকায় রাস্তায় মিছিল নিয়ে নামে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিয়ে স্লোগান মুখরিত হয় খুনি হাসিনার পদত্যাগ চাই। মিছিল চলাকালীন স্পটে নিহত হয় ৩ জন। আহত হয় অর্ধশতাধিক তার মধ্যে মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরকার একজন। তিনি আহত অবস্থায় পরে থাকে রাস্তায়। পরে আশেপাশের আন্দোলনকারী ছাএ জনতা তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পর সে সুস্থ হয়ে উঠে। অসুস্থ অবস্থায় পরে থাকে কয়েদিন। পরে মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরকারের কাছে আমরা জানতে চাই আপনি কি ভাবে বেচে ফিরলেন।
তখন তিনি বলেন আমরা যখন আন্দোলনে নিমেছি মৃত্যকে সাথে নিয়েই নিমেছি বেচে ফিরবো কিনা জানিনা তবে দেশের জন্য জনগণের জন্য আমার জীবন দিয়ে দিবো এই বীরের মতো মরবো শহীদ হয়ে যাবো। তবুও খুনি হাসিনার পতন না করে ঘরে ফিরবো না। লাশ হয়ে কবরে যাবো। হয়তো আল্লাহর অশেষ রহমতে মানুষের দোয়ায় আমি বেঁচে গেছি। আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া।
আজ সেই ভয়াল দিন ৩৫ শে জুলাই। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য । শেখ হাসিনা রাষ্টের প্রত্যেক টি বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করতো । যা কোন অবস্হাতেই আমি ও দেশের মানুষ সইতে পারিনাই। তাই আমরা নিজের জীবনের চিন্তা না করে মাঠে ছিলাম শেষ পযন্ত ৩৬ শে জুলাই ৫-৮-২০২৪ আমরা খুনি হাসিনার পদত্যাগ করতে পেরেছি। সে বাংলা মাটি থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যায়। বাংলাদেশ নতুন করে স্বাধীন হয়। আমি মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসি। আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরেছি হয়েছি জুলাই যোদ্ধা।