ঢাকাসহ সারাদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন, নারায়ণগঞ্জে ১ জন এবং নরসিংদীতে ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানান, ঢাকা ও এর আশপাশে বিগত কয়েক দশকে সংঘটিত ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সর্বোচ্চ মাত্রার। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ৪ থেকে ৫ মাত্রার সামান্য বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হলেও সেগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের বাইরে।
তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলে বড় মাত্রার একাধিক ভূমিকম্প হয়েছে, যা প্রমাণ করে এটি ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। বাংলাদেশে যেকোনো সময় আরও বড় ভূমিকম্প হতে পারে, তবে সঠিক সময় নির্ণয় করা সম্ভব নয়। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি এসব তথ্য জানান।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ হুমায়ুন আখতার বলেন, এর আগে ২০০৩ সালে রাঙ্গামাটির ভারত সীমান্তঘেঁষা বরকল ইউনিয়নে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। তবে ১৯১৮ সালে দেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড়—৮ মাত্রার—ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারকে বহুবার জানানো হয়েছে যে ভূমিকম্প মোকাবিলায় নিয়মিত মহড়ার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধারকার্যের জন্য বিপুল বাজেট রাখলেও সেখানে দুর্নীতির সুযোগ থাকে; কিন্তু কার্যকর কোনো প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ যথেষ্টভাবে নেওয়া হয় না।
উপদেষ্টা: এ্যাড. এনামুল হক এনাম সম্পাদক : মোঃ শামীম আহমেদ অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লি. এর পক্ষে কেএম সবুজ কর্তৃক প্রকাশিত। মোবাইল নং : ০১৭১৫-৬২৭৮৯৪ , ০১৭৮৪-৮৩৮৬৮০ ই-মেইল: news@dhakabani.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ