
তিনি বলেন, আমরা দূরত্ব বজায় রেখে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। খালেদা জিয়া আমাদের চিনতে পেরেছেন এবং আমরা তাকে সালাম জানিয়েছি, যা তিনি যথাযথভাবে উত্তর দিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের সময় তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল থাকলেও মনোযোগী ছিলেন এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে কিছু কথা বলেছেন।
জানা গেছে, নানা রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার প্রধান কারণ হলো ফুসফুসে সংক্রমণ এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিতভাবে সিসিইউতে তার ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার স্বাস্থ্যের অবস্থা জটিল হলেও মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।
চিকিৎসকরা প্রতিদিন তার রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন, অক্সিজেন লেভেল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যের সূচক পরীক্ষা করছেন। পাশাপাশি তাকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও সাপোর্টিভ থেরাপি দেওয়া হচ্ছে যাতে ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় থাকে। পরিবারের সদস্যরাও নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করছেন, তবে করোনা এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধের কারণে ভিজিটেশন সীমিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রতি সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে।