মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রিতে প্রকাশ্যে অনিয়ম ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে ক্রেতাদের সঙ্গে রীতিমতো ঠাট্টা করে দাম হাঁকাচ্ছেন একাধিক গ্যাস বিক্রেতা। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, একদাম বলা হচ্ছে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, কিন্তু একটু দরদাম করলেই সেই দাম বেড়ে যাচ্ছে ২ হাজার টাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন বাজার বিশেষ করে দিঘিরপাড় বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক দোকানে কোনো মূল্য তালিকা টাঙানো নেই। ক্রেতারা দাম জানতে চাইলে বিক্রেতারা নিজের ইচ্ছেমতো দাম বলছেন।দিঘিরপাড় বাজারে গ্যাস ব্যবসায়ী রুবেল সরদার বলেন, গ্যাস নিলে একদাম ১৮৫০ টাকা। যদি দরদাম করেন তাহলে ২হাজার টাকা!
ভুক্তভোগী মো. জসিম হোসেন বলেন, “আগে দাম কমানোর জন্য দরদাম করতাম, এখন উল্টো। ১৮৫০ বলার পর একটু কথা বলতেই দোকানি বলে, নেবেন তো ২ হাজার, না হলে রেখে দেন।” একই অভিযোগ করেন কয়েকজন হোটেল ব্যবসায়ীও। তাদের দাবি, বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, এতে ব্যবসায় লোকসান গুনতে হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছে। মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান হলেও তা নিয়মিত না হওয়ায় পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হচ্ছে না।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ সত্য হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে গ্যাস বিক্রেতাদের এই স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ হবে না। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানায়।
উপদেষ্টা: এ্যাড. এনামুল হক এনাম সম্পাদক : মোঃ শামীম আহমেদ অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লি. এর পক্ষে কেএম সবুজ কর্তৃক প্রকাশিত। মোবাইল নং : ০১৭১৫-৬২৭৮৯৪ , ০১৭৮৪-৮৩৮৬৮০ ই-মেইল: news@dhakabani.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ