ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন পাসপোর্ট অফিসের পাশে অবস্থিত একটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে বেরিয়ে এলো এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির খবর। দ্বীনি শিক্ষার আড়ালে সাধারণ মানুষের আবেগ আর দান-সদকা নিয়ে চলছে এক রমরমা বাণিজ্য!
গ্রামের সহজ-সরল মানুষ যখন মাদ্রাসার উন্নয়নে পকেট থেকে টাকা বের করে দিচ্ছেন, তখন পর্দার আড়ালে ঘটছে অন্য কিছু:নিজেকে শিক্ষক পরিচয় দিয়ে গ্রামে গ্রামে টাকা তোলা ব্যক্তিটি আসলে কোনো শিক্ষকই নন! তিনি মাদ্রাসার সাথে মাসিক ৪,০০০ টাকার চুক্তিতে নামার অনুমতি নিয়েছেন। অর্থাৎ, মাসে মাত্র ৪ হাজার টাকা মাদ্রাসা ফান্ডে জমা দিয়ে বাকি লাখ লাখ টাকা তিনি নিজের পকেটে ভরছেন, এই পুরো নাটকের মাস্টারমাইন্ড মাদ্রাসা পরিচালক এবং ওই সংগ্রাহক একে অপরের নিকট আত্মীয়! রক্ত সম্পর্কের দোহাই দিয়ে তারা গড়ে তুলেছেন এক দুর্ভেদ্য চুরির সিন্ডিকেট।
মাদ্রাসায় মাত্র ২২ জন শিক্ষার্থী থাকলেও তাদের ওপর চলছে চরম আর্থিক শোষণ। প্রত্যেক ছাত্রকে মাসে ২,০০০ টাকা নগদ এবং এক বস্তা চাল দিতে হয়! শিক্ষার্থীদের খরচ থেকে যেখানে মাদ্রাসার লাভ থাকার কথা, সেখানে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে এই ভিক্ষাবৃত্তি কেবলই ব্যক্তিগত লোভ।ঝিনাইদহবাসী ও আশেপাশের গ্রামগঞ্জের মানুষের প্রতি বিশেষ অনুরোধ—ধর্মীয় কাজে দান করার আগে অবশ্যই যাচাই করুন। আপনার কষ্টার্জিত টাকা কোনো এতিম বা শিক্ষার্থীর পেটে যাচ্ছে, নাকি কোনো ভণ্ড প্রতারকের পকেটে বিলাসের উৎস হচ্ছে?
উপদেষ্টা: এ্যাড. এনামুল হক এনাম সম্পাদক : মোঃ শামীম আহমেদ অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লি. এর পক্ষে কেএম সবুজ কর্তৃক প্রকাশিত। মোবাইল নং : ০১৭১৫-৬২৭৮৯৪ , ০১৭৮৪-৮৩৮৬৮০ ই-মেইল: news@dhakabani.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ