
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে একই দিনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। বিকেল প্রায় ৪টার দিকে তিনি গুলশানের কার্যালয়ে পৌঁছান। এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আলোচনায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষ হওয়ার পরপরই বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উপস্থিত হন ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক বিনিময়, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি বৈঠকেই রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বিএনপি নেতারা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকগুলোতে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির। আলোচনায় তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অগ্রগতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন।