কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সরকারি হাঁস প্রজনন খামারে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মেমো ছাড়া হাঁসের বাচ্চা বিক্রি, সরকার নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত মূল্যে ডিম বিক্রি এবং রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের কারণে সরকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।সূত্র জানায়, খামারের ইলেকট্রিশিয়ান পদে কর্মরত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. হেদায়াতুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে সরকারি মেমো ছাড়াই হাঁসের বাচ্চা বিক্রি করছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাংবাদিকদের একটি অনুসন্ধানী দল দেখতে পায়, একটি ভ্যানভর্তি প্রায় ৫০০ পিস হাঁসের বাচ্চা মেমো ছাড়া বিক্রি করা হচ্ছে। পরে আরও কিছু বাচ্চা অটোরিকশায় করে দ্রুত কিশোরগঞ্জ শহরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী অফিসে ঢুকে মেমো প্রস্তুত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। জানা যায়, তিনি ১৯৮৭ সাল থেকে একই খামারে কর্মরত।এ ছাড়া আউটসোর্সিং বিভাগের কর্মচারী মো. মারুফের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে মহিষপালন প্রকল্পের আওতায় খামারে যোগ দেওয়ার পর প্রকল্পটি বন্ধ হলেও তিনি এখনো বেতন ও অনুমোদন ছাড়া দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত হাঁসের ডিমের হালি মূল্য ৩২ টাকা হলেও ৪০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।
অভিযোগ বিষয়ে খামারের ম্যানেজার আসমা আরা হোসনা বলেন, “মেমো ছাড়া বাচ্চা বিক্রি বা সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে ডিম বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “উত্থাপিত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন পাঠিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এবং দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
উপদেষ্টা: এ্যাড. এনামুল হক এনাম সম্পাদক : মোঃ শামীম আহমেদ অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লি. এর পক্ষে কেএম সবুজ কর্তৃক প্রকাশিত। মোবাইল নং : ০১৭১৫-৬২৭৮৯৪ , ০১৭৮৪-৮৩৮৬৮০ ই-মেইল: news@dhakabani.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ