
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি শাহাদাতবরণ করেছেন বলে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা নিশ্চিত করেছে। রোববার ভোরে তাঁর কর্মস্থলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিচালিত যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।খবরে বলা হয়, ওই হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া শনিবার সকালে পৃথক আরেকটি হামলায় তাঁর এক পুত্রবধূ নিহত হওয়ার ঘটনাও নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে পশ্চিমা কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দীর্ঘদিন ধরে গোপন ও কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত স্থানে অবস্থান করছিলেন। তবে কর্মস্থলেই তাঁর নিহত হওয়ার তথ্য সেই দাবিগুলোকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে ইরানের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে।
খামেনির শাহাদাতের পর ইরানের মন্ত্রিসভা এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি টানা ৩৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং মুসলিম বিশ্বের রাজনীতি ও আদর্শিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, আপসহীন অবস্থান ও আদর্শিক দৃশ্যপটের কথাও সেখানে তুলে ধরা হয়।
শাহাদাতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানী তেহরান-এর ইনকিলাব স্কয়ারে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন। দেশজুড়ে গভীর শোক ও উত্তেজনাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।