
বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা (জুই) অপহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে। সাদিয়া সুলতানা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রবাসী বাদশা মিয়ার মেয়ে। সাদিয়া স্থানীয় রজব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯’ম শ্রেনীর ছাত্রী। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ০১/০৩/২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৭ টার দিকে সাদিয়া তার নিজ বসতবাড়ির সামনে হাঁটাহাটি সময় পাশ্ববর্তী কনোজপুর গ্রামের বখাটে রতন(২৮) এবং তার ২/৩ জন সহযোগী মিলে সাদিয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারের মধ্যে উঠিয়ে নিয়ে যায়।বখাটে রতন নাতকুন্ডু গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে,রতনের পিতার সাথে তার মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই কনোজপুর গ্রামে মামার বাড়িতে মায়ের সাথে বসবাস করে।
বখাটে রতন সাদিয়াকে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায়শই উত্যক্ত করত বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়। প্রেম করতে ব্যর্থ হয়ে পরপর ২ বার লোক মারফত বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় সাদিয়ার পরিবারের নিকট। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষোভের বশীভূত হয়ে বখাটে রতন এই অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এদিকে সাদিয়া অপহরণের ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় এজাহার দায়েরের পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও সাদিয়ার সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে প্রবাসী বাদশা মিয়া ও তার পরিবারের।
অপহৃত সদিয়ার কোন খবর নাই পেলেও রতন তার পিতা নাসির উদ্দিন,মামা রাশেদুল মাস্টার, বন্ধু সোহান সহ তার নিকটতম লোকজনের সাথে বিভিন্ন সময়ে এ্যাপস ভিত্তিক নাম্বার ব্যবহার করে যোগাযোগ রাখছে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।বর্তমানে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া একের পর এক ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর পৈশাচিকভবে নৃশংস হত্যাকান্ড নিত্যদিনের ঘটনা হিসেবে ঘটে চলেছে। দেশের ভয়াবহ এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন সহ সকল পর্যায়ের মানুষের কাছে সাদিয়াকে জীবিত উদ্ধারের জন্য সহযোগীতা চেয়েছেন প্রবাসী বাদশা মিয়া।