
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এমনকি তাঁর স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এজন্য সবাইকে কিছুটা ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জেলা প্রশাসকের পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিবার—সবাই এই কার্ডের আওতায় আসবে। এমনকি তাঁর নিজের স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। গত ১৫ বছরে দেশে কার্যত আইনের শাসন ছিল না এবং টাকা ছাড়া কোনো কাজ হতো না। তবে এবার ফ্যামিলি কার্ড পেতে কাউকে কোনো ধরনের অর্থ দিতে হয়নি।তিনি জানান, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কার্ড নারীর ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। তাই কেউ হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের সেচ সুবিধা বাড়াতে খাল খনন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।এ ছাড়া জেলার উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও একটি বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে।