শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী একাত্তরকে আগে সম্মান করব, তারপর সবকিছু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে, এমন আলোচনা করা ঠিক হবে না: প্রধানমন্ত্রী একাত্তরের ইতিহাস অনন্য ও অবিসংবাদিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিকল্পনা নেই সরকারের: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ছেলেকে ডাক্তার বানানো হলো না আয়েশা আক্তারের, দৌলতদিয়া ফেরি দুর্ঘটনায় স্বপ্নভঙ্গ কুমিল্লায় বাসচাপায় প্রাইভেটকারের চালকসহ নিহত ৪ প্রথমবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে, এমন আলোচনা করা ঠিক হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
                                             
  •   Update Time : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২১k Time View  
  •                                      
                                   
                               
মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে, এমন আলোচনা করা ঠিক হবে না: প্রধানমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে, এমন আলোচনা করা ঠিক হবে না: প্রধানমন্ত্রী

এমন কোনো আলোচনা বা সমালোচনা করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক গুরুত্বপূর্ণ ও অনিবার্য চরিত্র। অতীতে বিভিন্নভাবে তার অবদানকে খাটো করার চেষ্টা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন, যা থেকেই তার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অতীত নিয়ে অতিরিক্ত পড়ে থাকলে যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি অতীতকে পুরোপুরি ভুলে যাওয়াও ক্ষতিকর। তার ভাষায়, “অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ হয়ে যায়, আর অতীত ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ হয়ে যায়।” তাই ইতিহাসকে স্মরণ রাখতে হবে, তবে এমনভাবে নয় যাতে তা ভবিষ্যতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা নিয়ে আলোচনা হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে গবেষণা বা সমালোচনার নামে এমন কিছু করা ঠিক নয়, যা এই ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ বা খাটো করে।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ প্রকাশিত শহীদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধে মুক্তিযুদ্ধের পরপরই তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছিল। সে সময় কোনো মুক্তিযোদ্ধা এ বিষয়ে আপত্তি তোলেননি, যা তার অবদানের স্বীকৃতির প্রমাণ বলে তিনি দাবি করেন।তিনি বলেন, দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা অনেক বড় হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যাতে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

এর আগে বিকেল ৩টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা নেসারুল হক।অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102