মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি নেতা খন্দকার শাহ মঈনুল হোসেন বিল্টু আর নেই জামিন পেলেন শিশুসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’, ৫ এমপিকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ দপ্তরির অদৃশ্য ক্ষমতার বলে স্কুলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থেকেও চাকরিতে বহাল বগুড়ায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, নারীর ক্ষমতায়নে নতুন উদ্যোগ এসএসসি পরীক্ষা মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমরা ৩১ দফা দিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী সুন্দরগঞ্জে জ্বালানির জন্য সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড়

গাইবান্ধায় পেট্রোল সংকটে এলপিজি কনভার্টর কিট ব্যবহার করছে বাইকাররা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
                                             
  •   Update Time : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১k Time View  
  •                                      
                                   
                               
গাইবান্ধায় পেট্রোল সংকটে এলপিজি কনভার্টর কিট ব্যবহার করছে বাইকাররা
গাইবান্ধায় পেট্রোল সংকটে এলপিজি কনভার্টর কিট ব্যবহার করছে বাইকাররা । ফটো সংগ্রহীত

সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধায় ন্তীব্র হয়ে উঠেছে পেট্রোল ও অকটেন সংকট। জ্বালানি তেলের এই অস্থির বাজারে বিকল্প পথ খুঁজছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অধিক সাশ্রয়ী হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাইক এলপিজি কনভারসেশন। তবে এই পদ্ধতিতে খরচ কমলেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকেই।সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের মূল ইঞ্জিনের সাথে একটি বিশেষ এলপিজি কনভার্টার কিট এবং ছোট একটি গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করা হচ্ছে। সাধারণত বাইকের পেছনের ক্যারিয়ারে বা বিশেষ বক্সে এই সিলিন্ডারটি বসানো থাকে। কিটটির মাধ্যমে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস সরাসরি ইঞ্জিনে প্রবেশ করে দহন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

জ্বালানি সংকটের এই সময়ে বাইক চালকরা তাদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চালক বলেন, “আমরা জানি এতে কিছুটা ঝুঁকি আছে, কিন্তু পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। আর পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি। তাই ঝুঁকি থাকলেও এই সংকটের সময়ে বাইক সচল রাখতে এলপিজি ব্যবহার করা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। এর মাধ্যমেই এখন বাইক চালানো সম্ভব হচ্ছে।” তারা আরও জানান, এক লিটার পেট্রোলে যেখানে একটি বাইক ৫০-৬০ কিলোমিটার পথ চলতে পারে, সেখানে সমপরিমাণ এলপিজি গ্যাসে প্রায় ৮০-১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

পেট্রোল বা অকটেনের তুলনায় এলপিজির দাম অনেক কম হওয়ায় প্রতিদিনের যাতায়াত খরচ অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। সাশ্রয়ী হলেও এই রূপান্তর প্রক্রিয়াটি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় মেকানিকরা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই এসব কিট সংযোজন করছেন। নিম্নমানের সিলিন্ডার বা লিক হওয়া সংযোগ থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থেকে যায়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে বাইকের ইঞ্জিনের ওপর এর প্রভাব নিয়ে দ্বিমত রয়েছে।

অটোমোবাইল প্রকৌশলীদের মতে, বাইকগুলো মূলত তরল জ্বালানির জন্য ডিজাইন করা। অনুমোদনহীন কিট ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব কমতে পারে। সরকার নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা এই রূপান্তর না করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়ানো কঠিন। এই নতুন ট্রেন্ডটি যদি যথাযথ নীতিমালার আওতায় আসে এবং মানসম্মত কিট ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, তবে জ্বালানি সংকটের এই সময়ে এটি সাধারণ মানুষের জন্য একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন গাড়ি মালিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102