
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসন্ন পরীক্ষায় নকল হবে না—এ বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার ভাষায়, নকল হওয়া অনেকাংশে নির্ভর করে ব্যবস্থাপনার ওপর, আর শিক্ষকরা চাইলে যেমন নকল বন্ধ করতে পারেন, তেমনি তা ঘটাতেও ভূমিকা রাখতে পারেন।তিনি জানান, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে বর্তমানে কার্যকর শাস্তির ব্যবস্থা নেই। তাই আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে ডিজিটাল বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, শুধু শিক্ষার্থী বা শিক্ষক নয়, কেন্দ্র পরিদর্শকদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কারণ পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে—যেমন বেঞ্চের নিচে বা বাথরুমে—নকল সামগ্রী ঢোকানোর পেছনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। এছাড়া বাইরে থেকে প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে নকল সরবরাহের ঘটনাও আইনের আওতায় আনা জরুরি।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। নগরের টাউন হলের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে সকাল থেকে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।পরে বিকেলে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় লেগে যায়, যা কমাতে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।তিনি আরও জানান, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিন অনলাইন ও একদিন অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে এটি বাস্তবায়ন হলেও আপাতত শুধু মেট্রোপলিটন এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।এ সময় ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণাও দেন শিক্ষামন্ত্রী।