
স্টাফ রিপোর্টার:
কেরানীগঞ্জ উপজেলার চরপানিয়া হাজীপাড়ার বাসিন্দা মজিবুর রহমান ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর আব্দুল্লাহপুর জোনাল অফিসে ৭৮কিঃওঃ শিল্প সংযোগের আবেদন করেন। এসময় সিন্ডিকেট লীডার আব্দুল্লাহপুর জোনাল অফিসের কম্পিউটার অপারেটর অর্পণা সরকার মৌ সংযোগের জন্য গ্রাহকের কাছে ৫লক্ষ টাকা দাবি করেন। দাবি অনুযায়ী গ্রাহকের কাছে অগ্রীম হিসাবে ১লক্ষ ২০হাজার টাকা নেন এবং সংযোগ শেষে বাকি ৩লক্ষ ৮০হাজার টাকা দেওয়ার চুক্তি করেন। গ্রাহক অগ্রীম ঘুষ প্রদানের পরও কম্পিউটার অপারেটর অর্পণা সরকার মৌ, লাইনম্যান গ্রেড-১ মোঃ মহর আলী, লাইনম্যান গ্রেড-১ সুকেশ দাস (অর্পণার স্বামী), মিটার রিডার রেহাজ উদ্দীনের কাছে ঘুরেও কোন সুরাহা পাচ্ছিলেন না। এরমধ্যেই অফিসের স্বাভাবিক নিয়মে গ্রাহক মজিবুর রহমান সংযোগ পেয়ে যান।
সংযোগের পর থেকেই অর্পণা গংরা গ্রাহকের কাছে ৩লক্ষ ৮০হাজার টাকা দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকিধামকি দিতে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় ০২/০৪/২৬ তারিখ মোটরসাইকেল যোগে অর্পণা এবং মোহর আলী গ্রাহকের বাসায় যান বাকি টাকা আদায়ের জন্য। অর্পণা মোহর গ্রাহকের বাসায় গিয়ে ঘুষের টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অর্পণা পায়ের জুতা খুলে গ্রাহককে মারধর করেন।
এরপর এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরী হলে তোপের মুখে অর্পণা মোহর স্থান ত্যাগ করে তৎক্ষনাৎ থানায় মামলা করেন এবং পুলিশ নিয়ে আবারও গ্রাহককে এরেস্ট করতে যান। এলাকায় তোপের মুখে পুলিশ সহ ফিরে এসে তারা আবারও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে এলাকায় যান।
এতো পাওয়ার? একজন কম্পিউটার অপারেটরের এত্তো পাওয়ার? একটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস যা করতে না পরে তা কেবল একজন অর্পণা গং করতে পারে!
জনমনে প্রশ্নঃ
-শিল্প সংযোগের ক্ষেত্রে একজন কম্পিউটার অপারেটরের কাজ কি?
-গ্রাহকের ট্যাক্সের টাকায় বেতন নেওয়া কর্মচারী কি গ্রাহককে জুতা মা’রতে পারেন?
-সংযোগের জন্য কি একজন কম্পিউটার অপারেটরের সাইডে গমন করতে হয়?
-এতে কি সমগ্র পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে না?