বরিশাল কর কমিশনার কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর সানজিদা শারমিন অপ-সাংবাদিকতার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়, একটি চক্রতার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে। দাবি করা অর্থ না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভুক্তভোগী সানজিদা শারমিন জানান, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে তার কাছে আর্থিক সুবিধা দাবি করেন। তিনি এ ধরনের অনৈতিক প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে তার ব্যক্তিগত সম্মান ও কর্মজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার কাছে টাকা দাবি করে, না দেওয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে।এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অপ-সাংবাদিকতার নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।
অন্যদিকে, বরিশাল অঞ্চলের অপ-সাংবাদিকতা নিয়ে অভিযোগ তুলে কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, নামমাত্র প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড ব্যবহার করে অপ-সাংবাদিকতার দৌড়াত্ব বেড়ে গেছে। কোন সঠিক তথ্য ছাড়াই সংবাদ লিখে অনিবন্ধিত বা নামেমাত্র পোর্টালে প্রকাশ করে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিলেই সেই সংবাদ আবার মুহুর্তেই মুছে ফেলা হয়। এই অপ-সাংবাদিকদের কারণে আমরা প্রতিনিয়ত প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছি।এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা নামমাত্র সাংবাদিকদের কয়েকজনের সাথে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে অর্থ দাবির বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপ-সাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমের সুনাম ক্ষুন্ন করছে। এ ধরনের অপরাধ রোধে কঠোর নজরদারি ও আইনি পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
উপদেষ্টা: এ্যাড. এনামুল হক এনাম সম্পাদক: মোঃ শামীম আহমেদ অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লি. এর পক্ষে কেএম সবুজ কর্তৃক প্রকাশিত। মোবাইল নং: ০১৭১৫-৬২৭৮৯৪, ০১৭৮৪-৮৩৮৬৮০ (বার্তাকক্ষ) ০১৯৯৯-৬৫২৩০৩ ই-মেইল: dailydhakabani@gmail.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ