
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:
আশুলিয়ায় ডিভোর্স স্বী কৃত ডিভোর্স স্বামীকে মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ করেছেন আশুলিয়া থানায় মোহাম্মদ নুরুল হক (৪৬) পিতা,মৃত আবু বক্কার, সাং. ক্রোকিরচর,থানা.কালকিনী,জেলা. মাদারীপুর।
বর্তমানে তিনি থাকেন সাং.কান্দাইল,জনৈকআ তোবারক মোল্লা এর বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা. আশুলিয়া, জেলা. ঢাকা। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন মোছা. নুরজাহান বেগম (৪৫)পিতা. সুলতান খা,সাং.মহিষ মারী, থানা.কালকিনী,জেলা. মাদারীপুর। বর্তমানে সাং কান্দাইল, জনৈক তোবারক মোল্লার ভাড়াটিয়া, থানা. আশুলিয়া, জেলা. ঢাকা। নুরজাহান বেগমের সাথে আমার বিগত দুই বছর পুর্বে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক দ্বিতীয় বিবাহ হয়।বিবাহের পর হইতে বিবাদী আমার কথার অবাধ্য তাহার খেয়াল খুশি মত চলাফেরা করে।আমি তাহাকে ভালোভাবে চলার জন্য অনুরোধ জানালে নুরজাহান বেগম ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে গালি গালাজ করে।নুরজাহান বেগম ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আমার সাথে ঝগড়া বিবাদ শুরু করিয়া দেয় । এমনকি আশেপাশের ভাড়াটিয়াদের সাথেও অহেতুক ভাবে ঝগড়া বিবাদ করে। ইহার কারণে আমার প্রতি মাসেই বাসা বাড়ি পরিবর্তন করতে হয়।
প্রতি মাসেই আমার বাসা বাড়ি পরিবর্তন করতে হয়, এই বিষয় নিয়ে নূরজাহানের আত্মীয় স্বজনদের কাছে বার,বার, অভিযোগ করলেও তাহারা আমার কথায় কর্নপাত করেনি। বরং আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিতো। আর ঢাকার শহরে বার বার বাসা বাড়ি পাল্টানো কতটা কষ্ট যে করে সেই বুঝে।আর এতো বাসা পাল্টালে মানুষ ও খারাপ মনে করে। তাছাড়া হয় অর্থ দন্ড থাকি না থাকি বাসা ভাড়ার টাকা পরিষদ করতে হয়। তাছাড়া কিয়া রিং খরচ তো আছেই।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া
আমি নুরজাহান বেগমকে কিছু বলিলে নুরজাহান বেগম আমার উপর চড়াও হয় আমাকে গালিগালাজ করে মারতে আসে।
মনে হয় ওর মাথায় কোন সমস্যা আছে আদা পাগলের মতো ব্যাবহার করে।আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।এরই পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া গত ১-৫ -২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০ ঘটিকার সময় আশুলিয়া থানাধীন কান্দাইল উক্ত ঠিকানা আমার বাসায় থেকে অহেতুক ভাবে আমার সাথে ঝগড়া বিবাদ করিয়া বাসা হইতে বাহির হইয়া যায়।
নুরজাহান বেগম যথা সময় ফিরে না আসায় আমি তাহার মোবাইল নং ০১৩১০ ৭৬ ৪৭ ০৩ ফোন করিলে নুরজাহান বেগম আমার সাথে সংসার করিবে না মর্মে জানায়। এবং নুরজাহান বেগম আমার কাছে দেন মোহরের ২০ হাজার টাকা পাবে আমি দেন মোহরের ২০ হাজার টাকা দিতে চাইলে নুরজাহান বেগম ২০ হাজার টাকা নিবে না সে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, এক লক্ষ টাকা না দিলে নূরজাহান বেগম আমার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করবে বলে হুমকি দেয় এবং বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। নুরজাহান বেগম এর সাথে বনি- বনাও না হওয়ায় এক পর্যায়ে আমি গত ইং ২৬/০৬-২০২৫ তারিখ ডিভোর্স প্রদান করি।

নুরজাহান বেগম খুব খারাপ লোক বিবাদী আত্মীয়-স্বজন ও খুব খারাপ বিবাদী ও বিবাদীর আত্মীয়-স্বজন যে কোনো সময় আমাকে খুন যখন সহ বড় ধরনের ক্ষতি করিতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি আত্মীয় স্বজনদের জানাইয়া আশুলিয়া থানায় আমি একটা অভিযোগ দায়ের করি।আইনের কাছে আমি এর সঠিক তদন্ত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। বিষয় টা আমি সাংবাদিকদের জানায়ছি। মানবাধিকার ফাউন্ডেশন জানায়ছি। আমি এই নুরজাহান বেগমের হাত থেকে মুক্তি চাই। সে যেকোনো সময় আমার বড় ধরনের ক্ষতি করে ফেলতে পারে এবং কি আমাকে মেরে ফেলতে পারে।
আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি আমি ডিভোর্স দিয়েছি সে আমার কাছে দেনমোহরের যে ২০ হাজার টাকা পাবে আমি দিয়ে দিবো বা এর আগে দিতে চেয়েছি। কিন্তু সে ২০ হাজার টাকা নিবে না বলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। আমি গরীব মানুষ কি ভাবে এতটাকা দিবো। আমাকে আপনারা সহযোগিতা করুন। আমি আইনের কাছে সহযোগিতা চাই।
এ বিষয়ে নুরজাহান বেগম কে একাধিকবার ফোন করে ও পাওয়া যায়নি। পরে নুরজাহান বেগম এর একজন গার্ডিয়ান সাভারের হেমায়েতপুর থাকে সাথী নামে ঔ খানে তাদের বাড়ি তার ফোনে যোগাযোগ করে ও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এস আই মোঃ আশরাফুল কে ফোন দিলে তিনি বলেন একটা অভিযোগ পেয়েছি সুষ্ঠু তদন্ত করে এর সঠিক বিচার করা হবে। আইন সবার জন্য সমান। পুলিশ জনগণের বন্ধু। জনগণের সেবায় পুলিশ সব সময় নিয়োজিত।