মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা মামলা: পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আমার স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মির্জা ফখরুল সাঁতার কেটে কাবাঘর তাওয়াফ সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক উপদেষ্টার বাড়ির সামনে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক, সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র টঙ্গীবাড়ীতে পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ী কে নারী দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড সাভারের সড়কগুলোতে যানজট নিরসনে এমপি সালাউদ্দিন বাবুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ থানায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে: আইজিপি

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
                                             
  •   Update Time : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪k Time View  
  •                                      
                                   
                               
সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য: প্রধানমন্ত্রী
সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য: প্রধানমন্ত্রী

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য—এ মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেন তিনি।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করা গেলে দেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।এ সময় তিনি জানান, আগামী মাসের মধ্যেই ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমও শুরু করা হবে। একই সঙ্গে চলমান পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও সংযম ধরে রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে এ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। তবে এ সুবিধা নেওয়ার সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সরকারি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। যদিও পরিবারের অন্য কোনো সদস্য অন্য সুবিধা পেলে তা বহাল থাকবে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল), রেমিট্যান্সসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

পাইলট পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়।

পরে একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এ ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102