শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিল পাসে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড কমলনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই কোটি টাকার ভবন, নেই চিকিৎসা-এক যুগেও চালু হয়নি বাহুবল ট্রমা সেন্টার সীতাকুণ্ডে, লরির চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু জাতীয় সংসদে আরও ১০ বিল পাস সীমাহীন দুর্নীতি অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে: সংসদে অর্থমন্ত্রী এপ্রিলের প্রথম ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯৭.৫ কোটি ডলার ভালোবাসার টানে লিঙ্গ পরিবর্তন, অথচ প্রেমিক এখন অন্যের ঘরে: সাভারে চাঞ্চল্যকর প্রতারণা সুন্দরগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি শৈলকুপার ৯৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের আসন খালি!

স্বামীকে বাঁচাতে কিডনি দিলেন স্ত্রী, সুস্থ হয়ে ‘পরকীয়া’ বান্ধবীর সঙ্গে সংসার করছে স্বামী। 

ঢাকা বানী ডেস্ক:
                                             
  •   Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৪৭k Time View  
  •                                      
                                   
                               

 

মোঃ রবিউল ইসলাম, সাভার উপজেলা প্রতিনিধি: 

মানবিক ভালোবাসার এক নির্মম প্রতিদান
স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন স্ত্রী সাভার কলমা এলাকার টুনি আক্তার। কিন্তু সেই ভালোবাসার দাম দিতে হয়েছে অপমান ও বঞ্চনার মাধ্যমে।

ঢাকার সাভারের বাসিন্দা টুনি আক্তার ও তারেক হোসেনের সংসার শুরু হয়েছিল স্বপ্নে ভর করে। জীবনের কঠিন এক পর্যায়ে, কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হন তারেক। মৃত্যুর মুখ থেকে স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে নিজের একটি কিডনি দান করেন স্ত্রী টুনি। সফল অপারেশনের পর সুস্থ হন তারেক।

তবে ঘটনার মোড় ঘুরে যায় কিডনি প্রতিস্থাপনের কিছুদিন পরই। অভিযোগ উঠেছে, সুস্থ হওয়ার পরপরই তারেক স্ত্রী টুনিকে বাসা থেকে বের করে দেন এবং গোপনে সম্পর্ক চালিয়ে আসা তার “পরকীয়া” বান্ধবীর সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে ‘মানবতার চরম অবমাননা’ হিসেবে দেখছেন।

এসময়  টুনি বলেন:

আমি ওর জন্য জীবন বাজি রেখে কিডনি দিয়েছিলাম। অথচ ও আমাকে ঠকিয়ে এখন অন্য মেয়ের সঙ্গে সংসার করছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।

এই ঘটনায় স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা আইনি সহায়তা ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। টুনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন থানায় অভিযোগ সহ কোটে মামলা করেছেন। টুনি আইনের আওতায় এনে অপরাধী স্বামী কঠিন বিচারের দাবি জানান।

প্রশ্ন উঠেছে এলাকায় একজন নারীর আত্মত্যাগ কি এভাবেই উপেক্ষিত হবে? ভালোবাসার এই নির্মম পরিণতির বিচার কি সমাজ দিতে পারবে।আইনের কাছে এলাকার লোকজনের চাওয়া এরকম স্বামীর কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। যাতে করে আর কারও যেনো টুনির মতো এরকম না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102