বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আশুলিয়ায় ১০০ পিচ ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী আরও কমল স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে আগুন আশুলিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে জাহিদের বিরুদ্ধে।  ‎হবিগঞ্জের হাওরে পানির ঢলে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কৃষকদের হাহাকার গণভোটে জামায়াতের অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’: আইনমন্ত্রী সুন্দরগঞ্জে কলার প্রলোভন দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় সাইফুল আটক গাজীপুর কোনাবাড়ী মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৪ কেজি গাঁজাসহ ১২ বতল বিদেশি মদ উদ্ধার আটক ২ সাভারে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
                                             
  •   Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৬k Time View  
  •                                      
                                   
                               
পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী
পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি সুপরিকল্পিত ও গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাস-এর মাল্টি পারপাস হলে শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, পিলখানার সেই কালো অধ্যায়কে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা কেবল সরকারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নয়; বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক ও মানবিক কর্তব্য।

আলোচনা সভায় সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এখানে শুধু একজন জনপ্রতিনিধি বা সরকারের প্রধান হিসেবে আসেননি; একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও উপস্থিত হয়েছেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে বনানী সামরিক কবরস্থান-এ শহীদ সেনাসদস্যদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন, গত ১৭ বছর ধরে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটিয়েছেন। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনা শুধু শহীদ পরিবারগুলোর নয়, বরং পুরো জাতির জন্যই এক গভীর বেদনার কারণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি বড় ধরনের চ্যুতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী যেকোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রধান প্রতীক। পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের ওপর সংঘটিত পৈশাচিক হামলা মূলত দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামোকে দুর্বল করার একটি নীল নকশার অংশ ছিল। ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যে ভয়াবহ দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছিল, তা চিহ্নিত করে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পূরণ করা আজ সময়ের দাবি।

শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে কেবল স্মরণ নয়—শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো ঢেলে সাজানোর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা এবং বাহিনীগুলোর পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বহিঃশত্রু বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রকারী দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার সাহস না পায়। সেনা পরিবারগুলোর কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102