মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি নেতা খন্দকার শাহ মঈনুল হোসেন বিল্টু আর নেই জামিন পেলেন শিশুসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’, ৫ এমপিকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ দপ্তরির অদৃশ্য ক্ষমতার বলে স্কুলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থেকেও চাকরিতে বহাল বগুড়ায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, নারীর ক্ষমতায়নে নতুন উদ্যোগ এসএসসি পরীক্ষা মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমরা ৩১ দফা দিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী সুন্দরগঞ্জে জ্বালানির জন্য সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড়

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

ঢাকা বানী ডেস্ক
                                             
  •   Update Time : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৮k Time View  
  •                                      
                                   
                               
খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’
খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

ইরানের রাজধানী তেহরান সহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই আকস্মিক এবং ব্যাপক হামলা শুরু হয়। এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর যৌথ কার্যক্রম থাকার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এছাড়াও ইরানের শীর্ষ স্তরের আরও কয়েকজন নেতা, সেনা কমান্ডার এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা গুরুতরভাবে আহত বা নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার নেপথ্যে মূলত ইসরায়েল এবং সৌদি আরব–এর চাপ কাজ করেছে। এই দুই দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক সমন্বয়ই যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরানে তৎপরতা দেখাতে প্রভাবিত করেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে ছিলেন এবং তার সঙ্গে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি ও আলি শামখানির বৈঠক চলছিল। বৈঠকের কিছুক্ষণ পরেই ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী হামলা চালায়, যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বড় ধাক্কা সৃষ্টি করেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে যে, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের এই যৌথ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘অস্বাভাবিক মিত্রতা’ হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্প প্রশাসনকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আরও তৎপর হতে প্রভাবিত করেছে। এছাড়া, সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের বারবার যোগাযোগ এবং কৌশলগত আলোচনার মাধ্যমে হামলার সময়সূচি ও কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে যুবরাজ বলেননি যে হামলার জন্য সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করা হবে, কিন্তু প্রাইভেট আলোচনায় তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ না নেয়, তবে ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং অঞ্চলে বিপজ্জনক প্রভাব ফেলবে।

তাছাড়া, গত জানুয়ারিতে সৌদি যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় একই বার্তা দিয়েছেন। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যুবরাজ সালমান ইরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন এবং তার কূটনৈতিক নীতি মূলত এই ভেদাভেদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে ইরানে সরকারের পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক এবং সামরিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই হামলার ফলে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক সমাজের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তবে অঞ্চলে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যার ফলে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া, তেল ও গ্যাস সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপরও এর প্রভাব পড়তে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailydhakabani
themesba-lates1749691102